LOADING

Type to search

নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির আদেশ চলতি সপ্তাহে

জাতীয়

নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির আদেশ চলতি সপ্তাহে

Share

অপরাজেয় বাংলা ডেক্স-নতুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অফিস আদেশ চলতি সপ্তাহে হতে পারে বলে জানা গেছে। আদেশ যেই দিনই হোক চলতি অর্থ বছরের জুলাই মাস থেকে এমপিওভুক্তির সুবিধা পাবে শিক্ষকরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরশীল সূত্র আজ রোববার আমাদের সময়কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য প্রতিষ্ঠানসমূহ এমপিওভুক্তির প্রস্তবনা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের জন্য তার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাম না প্রকাশ করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, এমপিওভুক্তির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের জন্য নথি পাঠানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহে অফিস আদেশ জারি করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলেই অফিস আদেশ জারি করবে মন্ত্রণালয়। অফিস আদেশ যেই দিন হোক এমপিওর সুবিধা দেওয়া হবে চলতি অর্থ বছরের জুলাই মাস থেকে।
নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, ডিগ্রি কলেজ এজাতীয় প্রতিষ্ঠান প্রায় এক হাজার ৬০০ বেশি হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এই তুলনা কম।
এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় বিশেষ সফটওয়্যার। এমপিওভুক্তির নীতিমালা-২০১৮ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছে তারা এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। তবে কিছু উপজেলায় একটিও শিাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এক্ষেত্রে নীতিমালার ২২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিা বিভাগ। এ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, ‘শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাবে অসুবিধাজনক, পাহাড়ি, হাওর-বাঁওড়, চরাঞ্চল, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, বিশেষায়িত শিাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনায় শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।’
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২২ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও এমপিওভুক্তির শর্ত পূরণে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। এই মানদণ্ডে অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি হতে পারে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনের বাছাইকৃত যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে ব্যয় হতে পারে- ৫৫১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যয় ১৯১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, এক হাজার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ৬৭টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, ৯৪টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের ৮৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং ৫৩টি ডিগ্রি কলেজের ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকাসহ মোট ৭৯৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *